অক্ষয়তৃতীয়া
গাঁ-গঞ্জে অক্ষয়তৃতীয়া মানে দোকানের হালখাতা নয়।গ্রামবাসীরা বিশ্বাস করেন আজ মর্ত্যে গঙ্গাকে বয়ে এনেছিলেন ভপগীরথ।তাই গঙ্গাস্নানের ধূম পড়ে যায়।এদিকে চাষীদের আজ কোণ বিজুটির দিন।সকাল সকাল চাষী স্নান করে আমনধান বোনার বীজ নিয়ে জমির ঈশান কোণে ছড়িয়ে দিয়ে আসে। আজ আবার নতুন মেঘের সঞ্চার দিবস।বিকেলে শেওরা গাছের ডাল নিয়ে বাড়ির চালে গুঁজে দেওয়া হয়।বিশ্বাস যতই ঝড় আসুক-- বাড়ির চাল অক্ষত থাকবে! অক্ষয় তৃতীয়া হল বৈ শা খ মাসের শুক্লাতৃতীয়া অর্থাৎ শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথি। হিন্দু ও জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছে এটি একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ তিথি।এই শুভদিনে জন্ম নিয়েছিলেন বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার পরশুরাম । বেদব্যাস ও গণেশ এই দিনে মহাভারত রচনা আরম্ভ করেন। এদিনই সত্য যুগ শেষ হয়ে ত্রেতাযুগের সূচনা হয়। এদিনই রাজা ভগীরথ গঙ্গা দেবীকে মর্ত্যে নিয়ে এসেছিলেন। এদিনই কুবেরের তপস্যায় তুষ্ট হয়ে মহাদেব তাঁকে অতুল ঐশ্বর্য প্রদান করেন। এদিনই কুবেরের লক্ষ্মী লাভ হয়েছি...