দশভুজা নন, দেবীর শুধু মুখাবয়বের পুজো! কেতুগ্রামের রায়বাড়িতে সাড়ে চারশো বছরের ঐতিহ্য
কেতুগ্রাম: দেবীর নেই হাত-পা, নেই অসুরদলনরত দশভুজা রূপ। পূজিত হন শুধু দেবী দুর্গার মুখাবয়ব। পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের গোমাই গ্রামের রায়বাড়িতে দুর্গাপুজোর এই ব্যতিক্রমী রীতি আজও বহন করে চলেছে বাংলার প্রাচীন পারিবারিক পুজোর ঐতিহ্য। প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, রায়বাড়ির এই পুজোর সূচনা করেছিলেন পরিবারের পূর্বপুরুষ গোবিন্দ রায়। প্রায় সাড়ে চারশো বছর ধরে চলে আসা এই পুজোকে ঘিরে রয়েছে নানা লোককথা। জনশ্রুতি অনুযায়ী, প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজনের সময় দশভুজা প্রতিমা ভেঙে গিয়েছিল। এরপর স্বপ্নাদেশে দেবীর মুখাবয়বকেই পুজো করার নির্দেশ পান গোবিন্দ রায়। আরেকটি প্রচলিত কাহিনিতে রয়েছে, গ্রামের ঠাকরুন পুকুরে স্নান করতে গিয়ে তিনি এক রহস্যময়ী নারীর মাথা ও গলা জলের উপরে দেখতে পান। পরে স্বপ্নাদেশের মাধ্যমে সেই রূপেই দেবীর আরাধনা শুরু হয় বলে কথিত রয়েছে। রায়বাড়ির পুজোর আরও একটি বিশেষ আকর্ষণ বিসর্জনের রীতি। দেবীর মুখাবয়ব দোলায় চাপিয়ে গ্রাম পরিক্রমা করানোর পর ঠাকরুন পুকুরে নিরঞ্জন করা হয়। প্রচলিত প্রথায় চণ্ডীপাঠও হয় না। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এই পুজো শুধু একটি পরিব...