Posts

Showing posts from 2016

নগদ

Image
একদম খাঁটি কথা। পেপার মানির থাকার মধ্যে অনেক রকম অনর্থ রয়েছে। সবচেয়ে বড়ো অনর্থটি হলো, আমি বাড়িতে পেপার মানি রেখে দিতে পারি। অলসভাবে সে যদি পড়ে থাকে, তবে তার চেয়ে অনর্থ আর কিছু হয় না। না সে মূল্যসূচকের সঙ্গে তাল রাখতে পারছে। না সে খাটছে। না সে ছুটছে। সে কেবল আছে। কিন্তু শুধু থাকা তো তার কাজ নয়। যেমন, বাড়ির কাজের লোক। বাড়িতে কাজের লোক থাকার কোনো মানে নেই, যদি সে কাজ না করে। তেমনি মানি যদি না খাটে, না ছোটে, তবে সে মানি-ই নয়। পেপার মানি বাড়িতে কুলুঙ্গিতে, ড্রয়ারের তলায়, তোষকের নিচে এইভাবে রেখে দেওয়া যায়। আছে, এবং নেই -- এই অনস্তিত্বে। এটা পেপার মানির অন্যতম বড়ো অনর্থ। ইলেকট্রনিক মানিতে এই অনর্থ নেই। ওটা থাকা মানেই খাটা, ছোটা। ... 'আপনার অর্থ'-তে 'আপনার' ভাগ কমা, 'অর্থ'-র ভাগ বাড়া। আপনার ক্ষমতা কমা, অর্থ-র ক্ষমতা বাড়া। BUT  এইটা একটা মারাত্মক তথ্য। এবং নোট অধিগ্রহণের খেলাটা ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম। সংক্ষেপে ব্যাপারটা এই : সংসদে মন্ত্রী তথ্য দিয়েছিলেন, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোটে মোট ১৪.৫ লক্ষ কোটি টাকার মতো রয়েছে। এজি জানিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টে -- সরকার আশা...

শিশু

Image
আগামীর বিশ্বজয়ের নাবিক যারা, তাঁদের জন্য যে দুর্জয় দুর্ভেদ্যকে জয় করতে হবে আমাদের-    নিরাপত্তা  শেষ দশ বছরে ভারতে শিশুর বিরুদ্ধে অপরাধ সংগঠিত হবার প্রবণতা বেড়েছে ৫০০ গুণ। ২০০৫ সালে শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনা সরাকরি ভাবে নথিভুক্ত হয়েছিল ১৪,৯৭৫। দশ বছরের মধ্যেই তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪,১৭২। আগামী দিনে এই সংখ্যাটা কত হবে, তা ভাবলেই শিউড়ে উঠছে শরীর, বাড়ছে আশঙ্কা। শিশু মমনেও তৈরি হচ্ছে ভয়। নিজের দেশেই নিরাপত্তার অভাব অনুভব করছে শিশুরা। এমন একটা সমাজ সবার সমান দায়িত্বে গড়ে তোলা প্রয়োজন যেখানে শিশুর শৈশব চুরি যাবে না, জীবনশঙ্কায় ভুগতে হবে না কোনও শিশুকেই। নিজের পায়ে দাঁড়ানো  পৃথিবীতে যে দেশগুলোয় শিশু নিপীড়নের সংখ্যা সবথেকে বেশি হচ্ছে, সেইসব দেশের একটা তালিকা তৈরি করলে দেখা যাবে লজ্জার পরিসংখ্যান সঙ্গী করে ভারত অনেক দেশের থেকেই এগিয়ে রয়েছে। এই দেশে এখনও ১৮ বছরের আগেই বিয়ে হয় কিশোরীর। এই দেশে এখনও কন্যাভ্রুণ হত্যার মত অমানবিক 'সংস্কৃতি' মানুষের মধ্যে রয়েছে।  ২০০১ সাল পর্যন্ত ভারতে ১৪ বছরের আগে কিশোরীর বিয়ে হয়ে যাওয়ার ঘটনা সরকারি ভাবে নথিভুক্ত হয়েছ...

নোট

Image
আজ রবিবার ছুটির দিন কিন্তু বন্ধুদের দেখা নেই।টাকা পালটাতে ছুটেছে সবাই। রাজনৈতিক দল গুলো রাজনীতি করছে । মিডিয়া হলুদ কমলা সংবাদ পরিবেসন করছে। আমি একটু উদাসীন। প্রথম চাকরি ছেড়ে ছিলাম e.s.i hospital সহকর্মীকে ভর্তি করতে গিয়ে বুঝলাম কাজ করলেই সবকর্মীর e.s.i , e.p.f থাকবে এমন কথা নেই । পরেরটা ছাড়লাম মরা মানুষকে 7 মাস মাইনে দিয়ে । প্রতিবাদ প্রতিশব্দ জানা ছিলো না চাকুরি করা হলনা তাই আজ দালাল বলেই পরিচিত। দেশের 60% মানুষের মত আমার সাপ্তাহিক আয় টেনে টুনে 1000 টাকা।1000 টাকা নিয়ে মাথা ব্যথা নেই । 500টাকা নিয়ে ঝামেলা পারেছি অনেক বার, জাল বেরিয়ে অনেক বার ।তবে 1000 বা 500 Notes থেকে আড্ডা মুল্যবান। facebook বা what's app করের দূরে বন্ধু কাছে আসে মুহূর্তে কিন্তু বন্ধুতের উষ্ণতা পাইনা । ধরো আজ ফিরে যাই কয়েক হাজার বছর আগে টাকা পয়সা যখন ছিলো না আমি চাষি হয়ে তোমাকে দেব ধান , তুমি কামার হয়ে আমাকে গড়ে দেবে কাস্তে ,,,,,,,,,,

সে তো এলো না

গত বছর ছট পুজোর আগে রবীন্দ্র সরোবরে দেখা গিয়েছিল কয়েকটি ‘হোয়াইট টেল্‌ড রবিন’। চমকে উঠেছিলেন প্রাতর্ভ্রমণকারীরা। শহরে তো এদের দেখা যায় না! জানা গিয়েছিল, শীতের মুখে পাহাড়ি এলাকা থেকে উড়ে মহানগরে এসে সরোবরে ঘাঁটি গেড়েছিল ওরা। অথচ ছট পুজোর বিসর্জন পেরোতেই লেক থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিল ওই ‘অতিথিরা’! গত বছর ছট পুজোর আগে লেকে গিয়ে ওই অতিথিদের ছবি তুলেছিলেন পক্ষী বিশারদ শান্তনু মান্না। তাঁর কথায়, ‘‘ছটপুজোর বিসর্জনে লেক এলাকায় দেদার বাজি ফাটে। তাতে আতঙ্কিত হয়েই হয়তো এলাকা ছেড়ে পালিয়েছিল ওরা।’’ এ বার সেই আশঙ্কা রয়েছে কালীপুজো ঘিরেও। পক্ষীপ্রেমীরা বলছেন, গত কয়েক বছর ধরেই শীতের শুরু থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত নানা ধরনের পরিযায়ী পাখি অতিথি হয়ে আসছে এ শহরে। যেখানে জল রয়েছে, সে সব জায়গাকেই প্রধানত বেছে নেয় তারা। রবীন্দ্র সরোবর ছাড়াও ইকো পার্ক, রাজারহাট সংলগ্ন ভেড়ি, সাঁতরাগাছি এলাকায় ইতিউতি দেখা যায় তাদের। কয়েক দিন আগেই রবীন্দ্র সরোবরে ঝোপের মধ্যে থেকে পাখির ডাক শুনে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন কয়েক জন প্রাতর্ভ্রমণকারী। কাছে গিয়ে দেখেন, ঝোপের ভিতরে অচেনা নীল রঙের পাখি বসে রয়েছে! খবর পেয়ে হাজির হন পক্ষ...

ভুমি

Image
আজ সিঙ্গুরে মঞ্চের কাছের ভিড়ের দমবন্ধ পরিবেশ থেকে একটু হালকা হতে আমি, Amalendu Sarkar , আর Sriman Chakraborty উল্টোদিকে হাঁটা শুরু করেছিলাম, কাতারে কাতারে লোক, তাদের উল্টোমুখে। আমাদের মতো অনেকেই তাই। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে খানিকটা যেতে একজায়গায় দেখলাম, টাটাদের পাঁচিলের ভাঙা অংশ দিয়ে পিল পিল করে লোক ঢুকে পড়ছে ওই হাজার একর জমিতে। আমরাও ঢুকে পড়লাম। :D ঘুরে দেখলাম -- বাতিল কারখানা। কারখানার শেড। বছর দশেক আগেও যে চাষজমি ছিল এগুলো, না বলে দিলে কেউ বুঝবে না। আগাছা। আর কাশ ফুল। জলাশয়। দুটো তিনটে বুলডোজার আগাছা তুলছে। আর বুলডোজারগুলোকে তাড়া করেছে বকের দল। গত আট বছর প্রায় মনুষ্য বর্জিত এলাকা। প্রায়, কারণ গরু ছাগল চড়াতে আসত কেউ কেউ। এখনও আসছে। কাটোয়া, গুড়াপ, বর্ধমান, অম্বিকা কালনা -- সব জায়গার থেকে চাষিরা যারা এসেছে সিঙ্গুর সমাবেশে, তাদের মূল আকর্ষণ এই টাটার পাঁচিলের ভেতরের জমিটা। কারখানার শেড। "এখানে আর চাষ করা সম্ভব" কি না। এমনকি "আহারে কারখানাটা" বলার লোকও কিছু। সবাই চাষি। একজন বলল, 'এখানে শিল্পও করা যেত, টাটার বদলে অন্য কাউকে দিত'। আর একজন ব...

সিঙ্গুর

Image
সুপ্রিম কোর্ট ও মমতা ছাড়াও সিঙ্গুরের জয় আরো অনেক কিছুর। সিঙ্গুরের জয় অধিকার আন্দোলনের। সিঙ্গুরের জয় চাষবাসের। সিঙ্গুরের জয় গর্বিত, গোঁয়ার, গাঙ্গেয় বাংলার চাষির। সিঙ্গুরের জয় ধৈর্য্যের। সিঙ্গুরের জয় গ্রামবাংলা ও শহরবাংলার কৃষিপ্রেমের। সিঙ্গুরের জয় সংসদীয় পন্থার। সিঙ্গুরের জয় প্রয়োজনীয়, কারণ সিঙ্গুরে হার কর্পোরেটের। ব্যস্‌ এটুকুই। কারণ সিঙ্গুরের জয় একটি ফয়সালা হয়ে যাওয়া লড়াই-এর। এবং সেই ফয়সালা সিঙ্গুর একা করেনি। করার কথাও নয়। সেই ফয়সালা করেছে সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম, পস্কো, রায়গড়, শালবনী (লালগড়), হরিপুর ......। জমি অধিগ্রহণ আইনটাই বাতিল করে দিয়েছে নীতিনির্ধারক মুষ্টিমেয়রা। বদলে এসেছে জমি কেনা। আর ছুটছাট কিছু পড়ে থাকলে সেটুকু অধিগ্রহণ। নয়া কায়দা, যা অনেক বেশি বাজার-সম্মত। ক্ষতিপূরণের বদলে দরদাম করা বিক্রয়মূল্য। আধিপত্য-সম্মতির সূক্ষতর রূপ। মানুষের আরো ভালোভাবে বেঁচে থাকার লড়াই তো খেলা বা ভোট নয়। এমনকি আন্দোলনও নয়। তাই এর জয় পরাজয় হয় না। ফয়সালা হয়। এক দশক আগের চাষাবাদ করে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকা মানুষের লড়াই সাথি হিসেবে পেয়েছে প্রায় এক দশক ধরে চলতে থাকা এবং চলতেই থাকা বিশ...

জন্ম দিন

‘জন্মদিন’ শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, ভারতের মানচিত্রেরও একেবারে প্রান্তিক একটি গ্রামের হাইস্কুলে শিক্ষকতার কাজে বহাল হয়েছিলাম আজ থেকে দশবছর আগে। অর্থনীতির সাম্প্রতিক মানদণ্ডে যাদের ‘ধনী’ বলা যায়, সেরকম কোনও পরিবার সেই গ্রামে সেদিনও ছিল না, আজও নেই। এদেশে ‘ধনী’-রা (যাঁরা নিজেদের আহ্লাদ করে মধ্যবিত্ত বলে থাকেন) গ্রামে থাকেন না। গ্রামে অবিশ্যি তাদের ‘দেশের বাড়ি’ থাকে, যেখানে তাঁরা কালেভদ্রে যান। গ্রামের দিকে সচরাচর দশটি পরিবারের মধ্যে সাতটিই হয় ‘দরিদ্র’, বাকি তিনটিকে বড়জোর ‘সচ্ছ্বল’ বলা চলে। তা সেরকমই একটা ‘হঠাৎ সচ্ছ্বল হয়ে ওঠা’ পরিবারের শিশুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রণ পেয়েছিলাম চাকরি-জীবনের সেই প্রথম পর্বে। পরিবারের কর্তার হঠাৎ পাওয়া একটি ছোটখাটো সরকারি চাকরি তাঁর মাটির বাড়িটিকে সদ্য পাকা করেছে। সেই ‘দালানেরই’ ছাদে অনুষ্ঠিত হচ্ছিল ‘বার্থডে পার্টি’। ইতিপূর্বে কখনো সেই শিশুটির জন্মদিন ওভাবে ‘সেলিব্রেট’ করা হয়নি। করার সামর্থ্য ছিল না তাদের। ‘উন্নয়ণ’ বলতে আমরা, তৃতীয় বিশ্বের লোকজন যা বুঝি, তা কিন্তু প্রথম বিশ্বের উন্নয়ণের উচ্ছিষ্ট ছাড়া কিছুই নয়। ব্যাপারটা আবার ভারতের গ্রাম-শহর...

জগন্নাথ

⛄ভগবান হলেও সে যে জগন্নাথ⛄মানুষ আসলে ইশ্বর ঈশ্বরের সৃষ্টি কারি । মানুষের মনের চেতনাই ঈশ্বর । লোক কথাও তাই বলে।.পুরাণ মতে, সূর্য বংশের রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন বিষ্ণুরদর্শন পেতে উদগ্রীব হলে এক সন্ন্যাসী তাকে নীলমাধব নামে এক দেবতার কথা বলেছিলেন । রাজার পুরোহিত বিদ্যাপতি শেষ পর্যন্ত বিশ্বাবসু নামে এক শবরের কাছে এসে সেই বিগ্রহের খবর পান । কিন্তু নীলমাধবকে দেখাতে বিশ্বাবসু রাজী ছিলেন না ।.তবে বিশ্বাবসুর কন্যা ললিতা বিদ্যাপতির প্রেমে মুগ্ধ হয়ে তাকে বিয়ে করতে চাইলে বিশ্বাবসু রাজী হন । ললিতার অনুরোধে শেষ পর্যন্ত বিদ্যাপতির চোখ বেঁধে তিনি একদিন জঙ্গলের মধ্যে নীলমাধবের সামনে নিয়ে যান । কিন্তু পুরা-কথামতে,নীলমাধবের মূর্তি যিনি দর্শন করবেন, যম তাকে আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। বিদ্যাপতির কাছ থেকে খবর পেয়ে অবন্তীরাজ ইন্দ্রদ্যুম্ন সৈন্য-সামন্ত নিয়ে মূর্তি দর্শন করতে আসতে চাইলে বিগ্রহটি অর্ন্তহিত হয়ে যায় ।.ইন্দ্রদ্যুম্নদুঃখে আত্মহত্যাকরতে গেলে আকাশবাণীতে তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়, বিষ্ণুর দারুব্রহ্ম মূর্তি প্রতিষ্ঠা করতে । বাঙ্কিমুহান নামে সমুদ্রের উপরে একটি জায়গায় স্বপ্নাদেশে তিনি সেই কাঠের সন্ধ...

ইদ

❤ ❤ সূর্য ছুটি নাই বলে,কামাই করছে আজ। অবিরাম বৃষ্টির কথা শুনতে শুনতে , মুগ্ধতার তৃপ্তিতে চোখে কে যেন সাজিয়ে দিয়েছে রূপোলী ধারার অজনা রূপকথা । আজ তবু প্রতিবেশীর রাজপথে আজ রক্ত দাগ। ধর্মীয় উশকানীতে অবরুদ্ধথাকুক যত তোমাদের কান। আজান কিংবা মন্দিরের ঘন্টার চেয়ে , বৃষ্টির অবোধ্য স্বরলিপির অরন্যের গান আমার প্রিয় । বর্ষণসিক্ত প্রভাতে মুছে যাবে তোমাদের জয়ের উল্লাস । বৃষ্টি প্রথম স্পর্শে তোমাকে বলবো ❤ ❤ ইদ মুবারক ❤

কৃষ্ণ & রাধা

শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবন ত্যাগ করার পরে শ্রীরাধার কী হয়েছিল? রাধাকৃষ্ণের কাহিনিকে সর্বদাই অসম্পূর্ণ বলে মনে হয় কেন? কেন বার বার মনে প্রশ্ন জাগে, শ্রীরাধা ও শ্রীকৃষ্ণের কাহিনি কি বৃন্দাবনেই শেষ? পুরাণ বা অন্য গ্রন্থাদি কী জানায় শ্রীরাধা সম্পর্কে? কৃষ্ণবিহনে তাঁর কী হল? শ্রীময়ী শ্রীরাধা কি অসম্পূর্ণা? প্রথমেই বলে রাখা ভাল, কোনও প্রাচীন গ্রন্থেই শ্রীরাধাকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। শশীভূষণ দাশগুপ্তের মতে, শ্রীরাধা অনেক পরের কল্পনা। শ্রীময়ীর চরিত্রে একদিকে যেমন মিশেছে পদাবলির কবিদের মরমিয়া প্রেম, তেমনই অন্যদিকে এতে পৃক্ত হয়ে রয়েছে সুফি সাধকদের মর্মভাবনাও। আবার তাতে মিলেমিশে গিয়েছে লোকজীবনের সুখ-দুঃখ। এই সব একাকার হয়েই জন্ম দিয়েছে শ্রীরাধার মতো এক আশ্চর্যময়ীর। তিনি একদিকে যেমন হ্লাদিনীশক্তির প্রকাশ, তেমনই অন্যদিকে তিনি মূর্ত প্রেম। এসব সত্ত্বেও রাধাকৃষ্ণের কাহিনিকে সর্বদাই অসম্পূর্ণ বলে মনে হয় কেন? কেন বার বার মনে প্রশ্ন জাগে, শ্রীরাধা ও শ্রীকৃষ্ণের কাহিনি কি বৃন্দাবনেই শেষ? বৈষ্ণব কবিরা অবশ্য এমন কথা মানতে নারাজ। কৃষ্ণের মথুরা গমনের পরে তাঁরা রাধার চ...

নরীর...

বর্ষা   মেঘে মেঘে বর্ষা নেমেছে মেঘনাদ গম্ভীরে টলমল সজল আকাশমেঘে মেঘে বর্ষা নেমেছে  গম্ভীরে টলমল সজল আকাশচোখ বৃষ্টি এল  রাস্তার ধুলো ভিজে গেছে  বাড়িঘর গাছপালা সব পথঘাট ভিজে গেছে  এখন আকাশটা রক্তশূন্য ১) ব্রেস্ট আয়রনিং-  নামের মধ্যেই লুকিয়ে যন্ত্রণা। ক্যামেরুন, নাইজেরিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার বেশকিছু সম্প্রদায়ের মধ্যে মেয়েদের সঙ্গে এটাই করা হয়। পাথর, হাতুড়ি বা খুন্তি গরম কয়লার উপর রেখে তারপর সেটাই চেপে ধরা হয় বয়ঃসন্ধিকালের কোনও মেয়ের স্তনের উপর। কারণ এর ফলে ব্রেস্ট টিস্যুগুলো নষ্ট হয়ে যায়। এটা বিশ্বাস করা হয় যে কোনও মহিলার স্তন যদি আর বৃদ্ধি না পায়, তাহলেই দেশে ধর্ষণের সংখ্যা কমবে। আর এই জঘন্য কাজটা করে থাকে মেয়ের বাবা-মায়েরাই। ২) বিটিং সেসন-   ব্রাজিল সহ আরও কয়েকটি দেশে কোনও মহিলাকে প্রকাশ্য রাস্তায় নগ্ন করে মারা হয়। মার চলতেই থাকে যতক্ষণ না সেই মহিলাটি জ্ঞান হারাচ্ছে বা মারা যাচ্ছে। যদি সেই মহিলাটির অজ্ঞান অবস্থা থেকে আবার জ্ঞান ফিরে আসে, তাহলে তাকে বিয়ের জন্য উপযুক্ত ধরা হয়। ৩) মুসলমানি-  সোমালিয়া ও মিশরে এখনও এই রীতি প্রচলিত। মেয়েদে...

Save Water

Image