বীরভূমের ঘোষগ্রামে সুপ্রাচীন দারুবিগ্রহে পূজিতা মা লক্ষ্মী, শস্যসমৃদ্ধির কামনায় বিশেষ আরাধনা
বীরভূম: বাংলার গ্রামীণ লোকসংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের এক উল্লেখযোগ্য নিদর্শন বীরভূমের ময়ূরেশ্বরের ঘোষগ্রামের মা লক্ষ্মীর মন্দির। এখানকার আরাধ্যা দেবী সুপ্রাচীন দারুবিগ্রহে পূজিতা। ধনসম্পদের দেবী হিসেবে নয়, শস্যদায়িনী মাতৃকা হিসেবেও দেবীর আরাধনা এই মন্দিরের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। স্থানীয় জনশ্রুতি ও প্রচলিত কাহিনিতে জড়িয়ে রয়েছে এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস। কথিত আছে, কৃষক দয়াল ঘোষের জমিতে চাষ করার সময় একটি পদ্মফুলকে কেন্দ্র করে দেবীর আরাধনার সূত্রপাত হয়। সাধক কামদেব ব্রহ্মচারীর সাধনা এবং দেবীর স্বপ্নাদেশের কাহিনিও এই মন্দিরের ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত। নিমকাঠের দারুবিগ্রহে দেবীর পুজোকে ঘিরে আজও ভক্তদের মধ্যে রয়েছে গভীর শ্রদ্ধা। ঘোষগ্রামের লক্ষ্মী আরাধনায় কৃষিজীবনের প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষণীয়। বাংলার গ্রামীণ সমাজে লক্ষ্মী কেবল ধনসম্পদের প্রতীক নন, তিনি শস্য, উর্বরতা ও গৃহস্থের মঙ্গলকামনারও প্রতীক। সেই বিশ্বাস থেকেই ভক্তেরা দেবীর কাছে ফসলের প্রাচুর্য, সংসারের সমৃদ্ধি ও পরিবারের কল্যাণ প্রার্থনা করেন। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, ডাক সংক্রান্তির দিন এখানে শস্যদায়িনী মাতৃকা হিসেবে মা লক্ষ্ম...